ডেঙ্গুসচেতনতা, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ
(Dengue awareness, prevention & control)

ডেঙ্গুএকটি মশা বাহিত রোগ। স্ত্রী-‘এডিস এজিপ্টি’ মশার কামড়ে ডেঙ্গু ভাইরাসের কোন একটি সেরোটাইপ (ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩, ডেন-৪) রক্তে প্রবেশ করলে এ রোগ হয়। সাধারণভাবে মশা কামড়ানোর ৪ থেকে ১০ দিন পর ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে থাকে। সেগুলো হলো:
*জ্বর হয় এবং হঠাৎ করেই দেহের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটে উঠে যায়। তবে কারো ক্ষেত্রে ১০১ থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রাও থাকতে পারে।
*জ্বর ঘাম দিয়ে ছেড়ে দেয়ার পর কয়েক ঘন্টা বাদে আবারো আসতে পারে। কারো ক্ষেত্রে একটানা জ্বর থাকতে পারে।
*শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ (র‌্যাশ) হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডেঙ্গু রোগের কিছু মন্দ লক্ষণের বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। এগুলোর মধ্য থেকে এক বা একাধিক লক্ষণ দেখা দিলে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। লক্ষণগুলো হলো:
*জ্বরের সাথে প্রচ- ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব করা।
*পেটে ব্যথা হওয়া।
*বার বার বমি হওয়া (২৪ ঘণ্টায় তিনবারের বেশি)।
*শরীরে বিশেষ করে পেটে পানি জমে যাওয়া।
*মুখের ভেতরে, মাড়িতে রক্তক্ষরণ ও প্রস্রাব বা পায়খানার সাথে রক্ত আসা, চোখের সাদা অংশে রক্তের ছাপ দেখা যাওয়া।
*লিভার দুই সেন্টিমিটারের চেয়ে বড় হয়ে যাওয়া।
*ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার ৩ থেকে ৪ দিন পর রক্তের CBC পরীক্ষায় Platelet কমে যাওয়া ও Hct বেড়ে
যাওয়া।

ডেঙ্গু রোগ হলেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই। এই রোগের এ, বি এবং সি তিনটি ধরণ রয়েছে-
*অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী ‘এ’ ক্যাটাগরির। তাদের শুধু জ্বর হয় ও প্রচন্ড ব্যথা থাকে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হবার কোন প্রয়োজন নেই।
*‘বি’ ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীরা মোটামুটি স্বাভাবিক থাকে, তবে শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন- পেটে ব্যথা হতে পারে, প্রচুর বমি হতে পারে কিংবা খাওয়ার অরুচি থাকতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, দুইদিন জ্বরের পর প্রচ- দুর্বল হয়ে যায় ও শরীর, হাত-পা ঠা-া হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াই ভালো।
*‘সি’ ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। কিছু-কিছু ক্ষেত্রে বিশেষায়িত হাসপাতালের নিবিঢ় পরিচর্যা কেন্দ্র অর্থাৎ আইসিইউ-তে নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
*ডেঙ্গু ভাইরাসের ৪টি সেরোটাইপের (ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩, ডেন-৪) মধ্যে যেটির দ্বারা আক্রন্ত হওয়ায় একবার এই রোগ হয়, সেটির বিরুদ্ধে মানব দেহে এন্টিবডি তৈরী হওয়ায় পরবর্তীতে তা দ্বারা আর আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। তবে সেই ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে অপর ৩টি সেরোটাইপের কোনটি দ্বারা আবারও আক্রন্ত হতে পারেন। দ্বিতীয় বার আক্রান্ত হলে রোগটি জটিল আকার ধারন করতে পারে। তাই এ সময় তার জন্য বিশেষ সাবধানতা অবলম্বেেনর প্রয়োজন রয়েছে।

ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়:
*বর্তমানে যেহেতু ব্যাপক হারে ডেঙ্গুরোগ ছড়িয়ে পরেছে। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে (আক্রান্ত হওয়ার ১ থেকে ২ দিনে) রক্তের Dengue NS1 পরীক্ষাটি করে নিলে ডেঙ্গু হয়েছে কিনা তা অনেকাংশেই নিশ্চিত হওয়া যায় এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করা সহজ হয়। তবে ৪ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত এটি পযেটিভ পাওয়া যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি করা সম্ভব না হলে (৬ থেকে ৭ দিন পর) Dengue IgM ও IgG antibodies পরীক্ষা করতে হয়। সেই সাথে উপসর্গ প্রকাশ পাওয়ার ৩ থেকে ৪ দিন পর CBC পরীক্ষায় Platelet কমে যাওয়ার লক্ষণ ও Hct এর অবস্থা দেখে চিকিৎসক সহজেই রোগীর অবস্থা বুঝতে পারেন। ডেঙ্গু হলে Platelet, Hct ও Hb এর অবস্থা জানার জন্য ঘন ঘন CBC পরীক্ষাটি করার প্রয়োজন হয়। চিকিৎসক রোগ নির্ণয়ের জন্য যেসব পরীক্ষা দেবেন তা প্রতিষ্ঠিত ডায়াগনস্টিক সেন্টার অর্থাৎ যেখানে প্যাথোলজি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরীক্ষার রিপোর্ট দেন সেখানে যাওয়া উচিত। কারণ রোগ হওয়ার পরও তা ধরা না পড়লে যেমন ক্ষতি হয়, তেমনি ভুল রোগ নির্ণয় হলে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ডেঙ্গু হলে করণীয়:
*এ রোগ হলে মূলত অল্প অল্প করে বার বার পানি, শরবত, ফলের রস, ডাবের পানি, স্যুপ ইত্যাদি তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে।
প্রয়োজনে খাবার স্যালাইন খেতে হবে। স্বাভাবিক ও সহজপাচ্য খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। ভিটামিন-সি জাতীয় ফল খেতে হবে। কারণ এগুলো খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
*ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এতে রক্তের উপাদানের নানাবিধ ক্ষতি হতে পারে।
*জ্বর হলে নিজ থেকে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোন ওষুধ সেবন করা ঠিক নয়। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্যারাসিটামলের সর্বোচ্চ মাত্রা হলো প্রতিদিন চার গ্রাম। কিন্তু কোন ব্যক্তির যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা থাকে, তাহলে প্যারাসিটামল সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনে জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল সাপোজিটরি নিতে হবে। মাথায় পানি দিতে হবে ও ভিজা কাপড় দিয়ে সমস্ত শরীর স্পঞ্জ করতে হবে। এক্ষেত্রে ঠান্ডা নয় বরং নরমাল পানি ব্যবহার করতে হবে।
*ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর সময় ব্যথানাশক ঔষধ খেলে রক্তক্ষরণের সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে। তাই এই মৌসুমে ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করা খুবই জরুরি। সব ধরনের ওষুধ সেবনের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াই উত্তম।
*এ সময় বিশেষজ্ঞ অথবা এমবিবিএস চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই নিরাপদ। জটিল ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন হতে পারে। সেক্ষেত্রে যিনি রক্ত দেবেন তাকে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমন-
*যিনি রক্ত দিবেন তিনি যেন একেবারে খালি পেটে না থাকেন। চার ঘণ্টার বেশি খিালি পেটে থাকলে তাকে অবশ্যই কিছু খেয়ে নিতে হবে।
*রক্ত জমাট না বাঁধার কোনো ওষুধ (অ্যাসপিরিন, ক্লপিডগ্রিল ইত্যাদি) কেউ সেবন করলে তিনি কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা রক্তদান থেকে বিরত থাকবেন। তারপর রক্ত দিতে পারেন।
*কারো যদি প্লাটিলেট লাগে, তবে তার রক্তদাতাকে দুই ঘণ্টার মধ্যে ভারী খাদ্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এতে
প্লাটিলেটের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।

সাবধানতা :
*ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করা।
*দিনে ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করা।
*ঘরে মশার কয়েল ও এ্যরোসল ব্যবহার করা।
*নারিকেল কিংবা অলিভ ৈতল মর্দন ও হারপিক ঢালার মত অহেতুক তত্ত্ব থেকে দূরে থাকা।
*সমস্ত শরীর ঢেকে রাখা। হাত ও পায়ের খোলা অংশে মশা নিরোধী ক্রিম (Odomos=N, N-Diethylbenzamide) ব্যবহার করা।
*পানি জমে থাকার সকল উৎস সরিয়ে ফেলা।
*অবাধে পানি প্রবাহের ব্যবস্থা নেয়া।
*মশা ও লার্ভা নিধনের ওষুধের নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় ব্যবহার নিশ্চিত করা।

শিশু ও বৃদ্ধরা শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে থাকে এবং তারা অনেক সময় সঠিকভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেনা। তাই কিছু বিষয় মাথায় রেখে তাদের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে, যেমন-
*জ্বর ছেড়ে দেয়ার ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর অস্বাভাবিকভাবে শরীর ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে কিনা।
*স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা লোপ পাওয়া বা তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব প্রকাশ পাওয়া।
*শ্বাস-প্রশ্বাসের অস্বাবিকতা পরিলক্ষিত হওয়া বা গতি বেড়ে যাওয়া।
*তীব্র ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়া।
*প্রস্রাবের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়া।

প্রাপ্তবয়স্করা সাধারণত কাজে ব্যস্ত থাকেন বলে অনেক সময় বুঝতেই পারেন না যে, তিনি খারাপের দিকে যাচ্ছেন কিনা। তাই তাদের ক্ষেত্রে উপরের লক্ষণগুলো ছাড়াও কিছু বিষয়ের প্রতি নজর রাখতে হবে। যেমন-
*শরীর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।
*দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হওয়া বা ব্লাড প্রেশার কমে যাওয়া, বিশেষ করে পাল্স প্রেশার ২০ এর চেয়ে কমে যাওয়া ইত্যাদি।
*যাদের হার্টের সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে হৃদরোগের কোনো উপসর্গ নতুন করে দেখা দিচ্ছে কিনা।
*ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের উপায় :
*এবার অর্থাৎ ২০১৯ এ ডেঙ্গু সারা দেশে বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ রাজধানী ঢাকার সর্বত্র ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে গেছে। মনে হয় খুব কম পরিবারই আছে যারা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া, এই দুটি রোগের যে কোন একটির আক্রমণের হাত থেকে রেহাই পেয়েছে। তারপরও অহেতুক আতংক সৃষ্টি বা তাড়াহুড়া না করে বরং এই সংকটের মুহূর্তে যতটা সম্ভব মাথা ঠান্ডা রেখেই যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
*একজন ডেঙ্গু রোগীর উপসর্গ প্রকাশ পাওয়ার পর সাধারণত ৪ থেকে ৫ দিন এবং কারো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১২ দিন পর্যন্ত তার কাছ থেকে এডিস মশার মাধ্যমে অন্যত্র রোগ সংক্রমিত হতে পারে। তাই সংক্রমণ রোধের জন্য এ সময় সেই রোগীকে যেন মশা কামড়াতে না পারে সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্তত রোগ সংক্রমণের এই কয়েকটি দিন তিনি যেন সব সময় মশারির মধ্যে অবস্থান করেন সে ব্যাপারে নিজেকে ও স্বজনদেরকে সচেতন থাকতে হবে। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
*ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের জন্য পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে নিজেদেরকে সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে। মশার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য ঘরের ভেতরে মশারি, কয়েল বা এ্যরোসলের ব্যবহার যেমন করতে হবে, তেমনি এডিস মশার বংশ নিপাতের ব্যবস্থা স্বরূপ পানি জমে থাকার মত ছোট বড় সকল স্থানের পানিকে প্রবাহিত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু বাড়ি নয় প্রতিটি  স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অফিস আদালতের চত্বর ও কক্ষগুলো পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে। মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে পরিস্কার পানি জমে থাকার মত জিনিস পত্র যেমন ফুলের টব, ফ্রিজ বা এসির ওয়াটার চেম্বার, পুরানো হাড়ি-পাতিল, টায়ার, চৌবাচ্চা, ডাবের খোসা, পানির বোতল ইত্যাদিতে যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে নজর দিতে হবে। অকেজ ভাংড়ি মাল অযথা জমা করে না রেখে সরিয়ে ফেলতে হবে।
*ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে মশা নিধনের জন্য সময়মত ও নির্ধারিত হারে কার্যকর মশার ওষুধ ছিটানোর জন্য বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সেই সাথে এমনভাবে বাড়ি ঘর, অফিস আদালত ও রাস্তাঘাটের নকশা প্রনয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে যেন পানি প্রবাহের পথ বাধাগ্রস্ত না হয়। ড্রেইনেজ সিস্টেমকে ঢেলে সাজানোর জন্য যথাযথ পরিকল্পণা গ্রহণ করতে হবে। বাড়ি, পাড়া, মহল্লা ও শহর বা গ্রামের ছোট বড় নালা থেকে শুরু করে লেক এবং নদ-নদীর পানি যেন পরিস্কার থাকে এবং নির্বিঘ্নে প্রবাহিত হতে পারে তার জন্য যা যা করার তাই করতে হবে। তা না হলে আমাদের জন্য যে আরও অনেক দুর্ভোগই অপেক্ষা করছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। নিজেরা ঐকান্তিকভাবে সচেষ্ট হলে স্রষ্টা নিশ্চয় সাহায্য করবেন এবং এই বিপদ থেকে মুক্তি দেবেন।

*ডেঙ্গু ভ্যাক্সিন: ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’ মহামারী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বেশ কয়েকেটি দেশে ‘ডেংভ্যাক্সিয়া’ [Dengvaxia® (CYD-TDV)
developed by Sanofi Pasteur] নামক ভ্যাক্সিনের অনুমোদ দিয়েছে। এই ভ্যাক্সিনটির তিনটি ডোজ ৯ থেকে ৪৫ বছর ব্যক্তিদের মাঝে ছয় মাস অন্তর প্রয়োগ করতে হয়। তবে এটি ব্যবহারের বেশ কিছু বিধি নিষেধ রয়েছে। বাংলাদেশে এটি এখনো প্রয়োগ করার মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

 

ডাঃ মোঃ মাহফুজুল হোসেন
ডেপুটি চীফ মেডিকেল অফিসার
বাংলাদেশ ব্যাংক চিকিৎসা কেন্দ্র
মতিঝিল, ঢাকা|

 

করোনা ভাইরাস : যেসব ভুয়া স্বাস্থ্য পরামর্শ এড়িয়ে চলবেন

প্রায় এক বসর পার হয়ে গেলেও এখনো করোনা ভাইরাস নিয়ে আমাদের মাঝে অনেক ভুয়া স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রচলিত আছে । ইন্টারনেটে ছড়িয়ে আছে হাজার হাজার ভুল তথ্য ও মিথ্যা স্বাস্থ্য পরামর্শ । অনেকেই না জেনে সেসব ভুল ও ভুয়া স্বাস্থ্য পরামর্শ মেনে চলার ফলে নিজেরা যেমন স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ছেন সাথে অন্যদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে দিচ্ছেন । যেসকল ভুল আমরা এখনো মেনে চলছি সেগুলো … বিস্তারিত